চোরবাগানকাণ্ডের পর বড়মার পুজোয় তুঙ্গে নিরাপত্তা, নিশ্চিন্তে দর্শনার্থীরা!
বার্তা ডেস্কঃ
কলকাতা চোরবাগানের সাম্প্রতিক মর্মান্তিক ঘটনার পর নৈহাটির ঐতিহ্যবাহী বড়মার কালীপুজোয় ভিড় সামলাতে নজিরবিহীন নিরাপত্তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম ও সরু গলির ভিড় নিয়ন্ত্রণের কথা মাথায় রেখে এবার বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে মন্দির কমিটি। ভক্তদের সুরক্ষায় মোতায়েন থাকবে পাঁচশোর বেশি স্বেচ্ছাসেবক, এনসিসি কর্মী ও মহিলা পুলিশ। আগামী ২৯ অক্টোবর পুলিশ কমিশনারের সাথে বৈঠকের পর চূড়ান্ত নির্দেশিকা জারি হবে। দণ্ডি কাটার সময় কেউ অসুস্থ হলে জরুরি সহায়তার জন্য তৈরি রাখা হচ্ছে ২৪ ঘণ্টার চিকিৎসা পরিষেবা, বিশেষ রেসকিউ টিম এবং অরবিন্দ রোড পর্যন্ত দ্রুত স্থানান্তরের জন্য বিশেষ টোটো অ্যাম্বুল্যান্স।
মহিলা দণ্ডি কাটিয়েদের জন্য বাড়তি মহিলা পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক রাখার পাশাপাশি মোড়ে মোড়ে চিকিৎসক, আইসিইউ অ্যাম্বুল্যান্স এবং প্রসংগভিত্তিক ওষুধের বন্দোবস্ত থাকছে। আগামী ৭ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৮ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দণ্ডি কাটার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২৯ অক্টোবর মন্দির প্রতিষ্ঠা দিবস এবং পরবর্তীতে ২ থেকে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে মানসিক, সন্দেশ ও ফলের পুজো গ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে প্রসাদ বিতরণের কাউন্টার সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে এবং অনলাইন পুজোর ব্যবস্থাও থাকছে। পাশাপাশি সাধারণ নিত্যযাত্রী ও স্থানীয় অধিবাসীদের যাতায়াত সুগম রাখতে প্রশাসনের সহযোগিতায় একটি সুনির্দিষ্ট যান চলাচল রুটম্যাপ প্রস্তুত করা হচ্ছে।