“গন্ডারের গায়ে সুড়সুড়ি দিলে ৩ দিন পর হাসে”, ফলতায় পুনর্নির্বাচন নিয়ে কমিশনকে তীব্র তোপ কুণালের

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের ঘোষণা ঘিরে নির্বাচন কমিশনকে নজিরবিহীন আক্রমণ শানালেন তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সিসিটিভির কড়া নজরদারি সত্ত্বেও কেন নতুন করে ভোট নিতে হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তুলে কমিশনের সক্ষমতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি। কুণালের খোঁচা, এত নিরাপত্তার ঘেরাটোপ আসলে ‘বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো’।

কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে বিলম্বিত প্রতিক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করতে গিয়ে কুণাল ঘোষ রসিকতা করে বলেন, “গন্ডারের গায়ে সুড়সুড়ি দিলে সে তিন দিন পর হাসে।” তাঁর প্রশ্ন, ভোটের দিন যদি রিগিং হয়েই থাকে, তবে এত কেন্দ্রীয় বাহিনী আর ‘সিঙ্ঘম’ মার্কা অফিসাররা তখন কী করছিলেন? কেন সেই মুহূর্তেই ব্যবস্থা নেওয়া হলো না, তা নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি।

কুণাল ঘোষের দাবি, এই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত আসলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তবে এতে তৃণমূলের জয় আটকানো যাবে না জানিয়ে তিনি বলেন, যখন এই ভোট হবে, ততক্ষণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২৩০টি আসন পার করে ফেলবেন। তাঁর মতে, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে লাগিয়েও কোনো লাভ হয়নি, কারণ আসল জনমত তৃণমূলের পক্ষেই রয়েছে।

উল্লেখ্য, নির্বাচনী বিধিভঙ্গের গুরুতর অভিযোগে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট বাতিল করে আগামী ২১ মে পুনর্নির্বাচনের দিন ধার্য করেছে কমিশন। যদিও ৪ মে রাজ্যের বাকি ২৯৩টি আসনের গণনা হবে, ফলতার ফলাফল জানা যাবে ২৪ মে। বাংলার নির্বাচনী ইতিহাসে গোটা একটি বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের এমন ঘটনা কার্যত নজিরবিহীন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *