বছর ঘুরতেই শুরু কসবা ল কলেজ গণধর্ষণ মামলার বিচার! কাঠগড়ায় প্রাক্তনী ও রক্ষী
কসবা ল কলেজে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ গণধর্ষণের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হলো আইনি বিচারপ্রক্রিয়া। ঘটনার ঠিক এক বছরের মাথায় আলিপুরের প্রথম এডিজের এজলাসে এই চাঞ্চল্যকর মামলার বিচারপর্ব শুরু হয়েছে। সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্তদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল।
কাঠগড়ায় ৪ অভিযুক্ত
এই জঘন্য অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে কলেজের প্রাক্তনী তথা কর্মী মনোজিৎ মিশ্র, জায়েব আহমেদ এবং প্রমিত মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এদের পাশাপাশি কলেজের নিরাপত্তারক্ষী পিনাকী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও অভিযুক্ত হিসেবে চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে। বর্তমানে মামলার মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ, জায়েব এবং প্রমিত জেল হেফাজতেই রয়েছেন। আলিপুর আদালতের বিচারকের সামনে সাক্ষ্যপ্রদান ও তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
দ্রুত বিচার ও সম্ভাব্য প্রভাব
সাধারণত এই ধরণের জটিল ও স্পর্শকাতর মামলায় বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হতে দীর্ঘ সময় লাগে, তবে কসবা ল কলেজ কাণ্ডে এক বছরের মধ্যে বিচার শুরু হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে ঘটে যাওয়া এহেন অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার যদি দৃষ্টান্তমূলক ও দ্রুত হয়, তবে তা ভবিষ্যতে ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা পালন করবে। দোষীদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত হলে তা অপরাধীদের মধ্যে যেমন ত্রাস সৃষ্টি করবে, তেমনই বিচার ব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।
প্রতিবেদক: বর্তমান ঠাকুর।