পরনিন্দায় মজে শাহিদ! মীরা কি ফাঁস করলেন অভিনেতার গোপন স্বভাব?
বার্তা ডেস্কঃ
কপিল শর্মার শো-তে শাহিদ-মীরা ও ঈশানের খুনসুটি: উঠে এল নানা অজানা গল্প
নিজস্ব প্রতিবেদন: জনপ্রিয় কমেডি শো ‘দ্য কপিল শর্মা শো’-এর মঞ্চে সম্প্রতি হাজির হয়েছিলেন অভিনেতা শাহিদ কাপুর, তাঁর স্ত্রী মীরা রাজপুত এবং অভিনেতা ভাই ঈশান খট্টর। শো-তে নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন ও সিনেমার খুঁটিনাটি নিয়ে খোলামেলা আড্ডায় মেতে ওঠেন তাঁরা। আলাপচারিতার ফাঁকে উঠে আসে শাহিদের অভিনয় ক্যারিয়ার ও পারিবারিক সম্পর্কের মজার সব তথ্য।
অনুষ্ঠানে মীরা জানান, শো-তে আসার আগে তাঁর বাবা তাঁকে বিশেষ পরামর্শ দিয়েছিলেন। তাঁর বাবার নির্দেশ ছিল, অনুষ্ঠানে যেন তিনি প্রাণ খুলে হাসেন, যাতে দর্শক বুঝতে পারেন তিনি কৌতুক উপভোগ করছেন। এমনকি অর্চনা পূরণ সিংয়ের মতো করে হাসার পরামর্শও দিয়েছিলেন তিনি। মীরার মুখে এ কথা শুনে অর্চনা হেসে ফেলেন, আর ঈশান রসিকতা করে বলেন, এখন থেকে সবার নজর মীরার হাসির দিকেই থাকবে।
শো-এর একটি পর্বে শাহিদের কোন ছবিগুলো মীরা ও ঈশানের একদম পছন্দ নয়, তা নিয়ে মজার খেলা হয়। হেডফোন পরে থাকার কারণে শাহিদ নিজেই নিজের পছন্দের উত্তর হিসেবে ‘শানদার’ ছবির নাম বলেন। পরে মীরাও একই ছবির নাম উল্লেখ করেন। তবে ঈশান কিছুটা সময় নিলেও শেষ পর্যন্ত ‘বাত্তি গুল মিটার চালু’ ছবিটির নাম বলেন। এই খেলায় মীরা জয়ী হন।
শাহিদের অভিনয় নিয়ে বলতে গিয়ে মীরা জানান, ‘ককটেল’ ছবির ধাঁচের চরিত্রে শাহিদকে তাঁর বেশি মানায়। মীরার মতে, ওই ধরনের চরিত্রে শাহিদকে বেশ রোম্যান্টিক ও হাসিখুশি দেখায়। শাহিদের মতে, তাঁর অভিনীত ছবি দেখেই মীরা তাঁর মনের অবস্থা বুঝতে পারেন। কপিলও রসিকতা করে বলেন, স্ত্রীরা সুযোগ পেলে স্বামীদের কেবলমাত্র সূরজ বরজাতিয়ার ছবিতেই অভিনয় করতে বলবেন।
সিনেমার গম্ভীর আলোচনার সময় মীরার বিরক্তির কথাও উঠে আসে। মীরা জানান, শাহিদ ও ঈশান যখন সিনেমার গভীর বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন, তখন নিজেকে অনেকটা বাইরের মানুষ বলে মনে হয় তাঁর। শাহিদ হাসতে হাসতে জানান, একবার তাঁদের এমন আলোচনার মাঝেই মীরা ঘুমিয়ে পড়েছিলেন।
এছাড়া পরিবারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরচর্চা কে করেন, তা নিয়েও চলে জল্পনা। মীরা অভিযোগ করেন, শাহিদ সব খবর রাখলেও মুখে কিছু প্রকাশ করেন না। এরপর শাহিদের কথা বলার ভঙ্গি নকল করে মীরা বলেন, “আমি কিন্তু পরচর্চা করি না।” মীরার এই অভিনয় উপস্থিত দর্শকদের হাসির রোল তোলে। ঈশান জানান, প্রায়ই এই দুইয়ের আড্ডায় তাঁকে নিয়ে আলোচনা হয়। সবশেষে কপিলের কাছে ঈশানের আবদার, মীরার সাথে এক মঞ্চে এলে তিনি একটু চুপচাপ হয়ে যান, বরং একা এলে বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। সূত্রপাত হওয়া এই আড্ডায় শেষ পর্যন্ত হাসির আমেজ বজায় ছিল।