জীবনদায়ী ওষুধের আকাশছোঁয়া দাম, দিশেহারা সাধারণ মানুষ!

পশ্চিম এশিয়ার চলমান অস্থিরতার কারণে ওষুধের কাঁচামাল ও বিশেষ রাসায়নিকের সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় ওষুধ উৎপাদন খরচ অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে ক্যান্সার নিরাময়ের ওষুধ থেকে শুরু করে সাধারণ জ্বরের ওষুধ পর্যন্ত সবকিছুর দাম ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার।

ওষুধ তৈরির অপরিহার্য রাসায়নিক ‘সলভেন্ট’ মূলত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে সংগৃহীত অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস থেকে পাওয়া যায়। যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট সরবরাহ সংকটের কারণে কোম্পানিগুলোর পক্ষে পুরনো দামে ওষুধ উৎপাদন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। জনস্বার্থ রক্ষায় সরকার ঔষধ শিল্প মহলের প্রস্তাবিত বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির পরিবর্তে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বৃদ্ধির সীমাবদ্ধতা বেঁধে দিয়েছে। এটি একটি অস্থায়ী জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে আগামী তিন মাসের জন্য কার্যকর হতে পারে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হলে ওষুধের দাম পুনরায় সমন্বয় করা হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *