বিরাট-রোহিতের ফিল্ডিংয়ের আসল রহস্য ফাঁস করলেন নতুন কোচ!
বার্তা ডেস্কঃ
কোহলি-রোহিতের ক্ষিপ্র রিঅ্যাকশনের রহস্য ‘মাসল মেমরি’, জানালেন শুভদীপ
ক্রীড়া প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার মতো তারকাদের ক্ষিপ্র ফিল্ডিংয়ের রহস্য কী? কেন তাঁরা অন্য খেলোয়াড়দের তুলনায় দ্রুত বলের গতিবিধি আঁচ করতে পারেন? ভারতীয় দলের ফিল্ডিং কোচ শুভদীপ এর উত্তর দিতে গিয়ে জোর দিয়েছেন ‘মাসল মেমরি’ এবং ‘অ্যান্টিসিপেশন’-এর ওপর।
শুভদীপের মতে, বছরের পর বছর নির্দিষ্ট পজিশনে ফিল্ডিং করার ফলে কোহলি বা রোহিতের শরীরে এক ধরনের ‘মাসল মেমরি’ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “বিরাট কভার ও পয়েন্ট অঞ্চলে অসংখ্যবার ফিল্ডিং করেছে। বলের গতিপথ, ট্র্যাজেক্টরি ও ইমপ্যাক্ট সে আগে থেকেই বুঝতে পারে। রোহিতের রান-আউট করার ক্ষমতার পেছনেও সেই পূর্বানুমান বা অ্যান্টিসিপেশন কাজ করে। অভিজ্ঞতা ও জন্মগত প্রতিভার সংমিশ্রণেই এই ম্যাজিক ঘটে।”
নিউজিল্যান্ডের ছোট মাঠগুলোতে ফিল্ডারদের রিঅ্যাকশন টাইম অত্যন্ত কম থাকে। এ প্রসঙ্গে ফিল্ডিং কোচ জানান, ছোট মাঠে বাউন্ডারি কাছে থাকায় সব ফিল্ডারকেই মূলত ইনফিল্ডার হিসেবে কাজ করতে হয়। তাই বলের জাজমেন্ট ও শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। ভারতীয় দল বর্তমানে রিঅ্যাকশন টাইম বাড়ানোর জন্য হালকা বল ব্যবহার করে অনুশীলন করছে। এই বিশেষ পদ্ধতির ফলে ফিল্ডাররা বল ধরার ক্ষেত্রে বাড়তি স্থিতিশীলতা অর্জন করতে পারছেন।
এদিকে, টানা সিরিজ চলায় ক্রিকেটারদের ক্লান্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এ বিষয়ে শুভদীপের দাবি, এই ক্লান্তি মূলত মানসিক। চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি সামলানোর উপায় ক্রিকেটারদের জানা আছে। তবে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শনিবারের দ্বিতীয় ম্যাচে মহম্মদ সিরাজ প্রথম একাদশে থাকবেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রেখেছেন তিনি। কোচ জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে টিম ম্যানেজমেন্ট।