ভোটের ধাক্কায় তছনছ ঘাসফুল, এবার কি সব হারানো কর্মীদের হাত ধরছে কংগ্রেস?
ভোটের ফলাফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যেই নজিরবিহীন রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস। দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জনই বিদ্রোহ ঘোষণা করায় মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির চরম কোন্দলের মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতির জেরে তৃণমূলের সমস্ত সাংগঠনিক কমিটি এবং ছাত্র, যুব, মহিলা ও ট্রেড ইউনিয়নসহ সমস্ত ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশনের পদ বাতিল করা হয়েছে। সাংগঠনিক কাঠামো কার্যত ভেঙে পড়ায় এবং দলীয় প্রতীকের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরির কারণে তৃণমূলের অস্তিত্ব এখন বড় প্রশ্নের মুখে।
এই অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে রাজ্যের তৃণমূল কর্মীদের নিজেদের শিবিরে টানার ডাক দিয়েছেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। বিক্ষুব্ধ ও ঘরহারা কর্মীদের জন্য কংগ্রেসের দরজা খুলে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি বিজেপি এবং অবশিষ্ট তৃণমূলের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী বিরোধী মঞ্চ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এরই মধ্যে বিধানসভায় বড় রদবদলের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যেখানে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের পরিবর্তে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রতর নাম উঠে আসছে। বিশ্লেষকদের মতে, নিচুতলার কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেওয়া শুরু করলে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে।