বিদ্রোহী শিবিরে ভাঙন! পাল্টা সংখ্যা বাড়ানোর হুঙ্কারে গর্জে উঠলেন ঋতব্রত।

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে চলা বিদ্রোহের আবহে এবার বিদ্রোহী শিবিরের ঐক্যে ফাটল ধরার ইঙ্গিত মিলেছে। ৬০ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে বিরোধী দলনেতা মনোনীত হওয়ার পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে পাল্টা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। দলের একাংশ প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলনেত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়ার বার্তা দিয়েছেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তাঁদের শিবিরে বিধায়কদের সংখ্যা কমার পরিবর্তে ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পাবে। দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে দাবি করে তিনি জানিয়েছেন, বিধানসভার অধিবেশন শুরু হলেই তাঁদের শক্তির প্রকৃত রূপ সামনে আসবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিদ্রোহের প্রভাব দলের একাধিক লোকসভা সাংসদের ওপরও পড়তে পারে, যারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের বিরোধিতা করে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিতে পারেন।

সংগঠনের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও নেতৃত্বের দ্বন্দ্বের কারণে তৃণমূলের অন্দরে এই ভাঙন দেখা দিয়েছে। মুর্শিদাবাদের আটজন সংখ্যালঘু বিধায়কসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতার বিদ্রোহ এবং বিধাননগরের মেয়রের পদত্যাগের ঘটনায় শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর চাপ বহুগুণ বেড়েছে। এই বিদ্রোহের ফলে শাসক দলের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা রাজ্য প্রশাসনের স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। একইসঙ্গে এই রাজনৈতিক কোন্দল রাজপথেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিদ্রোহী বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহা ও সন্দীপন সাহার বাড়ির সামনে হওয়া বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দীপন সাহা নিউ মার্কেট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *