তুরস্কের সঙ্গে নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তির পথে বাংলাদেশ!

আমেরিকার পর এবার তুরস্কের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতার পরিধি বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে তারেক রহমানের সরকার। গত শুক্রবার ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের মধ্যে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রতিরক্ষা, এভিয়েশন, আইসিটি এবং চিকিৎসা খাতে যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই কৌশলগত চুক্তির ফলে বাংলাদেশ আধুনিক তুর্কি সামরিক প্রযুক্তি ও ড্রোন ব্যবহারের সুবিধা পেতে পারে, যা দেশের প্রতিরক্ষা খাতকে আরও শক্তিশালী করবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে দিল্লিকে চাপে রাখতেই আঙ্কারার সঙ্গে এই পথে হাঁটছে ঢাকা। তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিচেপ তাইপে এর্ডোয়ানের প্রশাসনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবেই উত্তপ্ত, যা এই নতুন মেরুকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে। বৈঠকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান সম্পর্ক এবং পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তনের পর বাংলাদেশি নাগরিকদের পুশ-ব্যাক ইস্যুটিও গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, তুরস্কের সঙ্গে ঢাকার এই ঘনিষ্ঠতা দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে এবং ভারতের সীমান্ত নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক ভারসাম্যের সমীকরণ বদলে দিতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *