অম্বুবাচী শেষে ঘর শুদ্ধি ও চাষাবাদের ৫টি জরুরি নিয়ম, যা মানলে দূর হবে সংসারের অমঙ্গল!
অম্বুবাচীর নিবৃত্তি সম্পন্ন: ঘরে সমৃদ্ধি ফেরাতে পালনীয় নিয়মাবলি
২৬ জুন, শুক্রবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে মা ধরিত্রীর অম্বুবাচী অন্তে ‘নিবৃত্তি’ সম্পন্ন হয়েছে। শাস্ত্রীয় মতে, এই সময়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং এই সময় কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক। জ্যোতষ ও শাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, নিবৃত্তির পর ঘর শুদ্ধি এবং দেব-দেবীর আরাধনা করা জরুরি। এ দিন সকালে গঙ্গাজল বা গোমূত্র ছিটিয়ে পুরো বাড়ি পরিষ্কার করা এবং ঠাকুর ঘরের বিগ্রহ ও সিংহাসন পঞ্চগব্য দিয়ে স্নান করিয়ে পুজো করা বাঞ্ছনীয়। এছাড়া, অম্বুবাচীতে জল দেওয়া বন্ধ থাকা তুলসী মঞ্চে গঙ্গাজল অর্পণ ও প্রদীপ জ্বালিয়ে শুদ্ধিকরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সংসারে সমৃদ্ধি বজায় রাখতে নিবৃত্তির দিন ৫টি বিশেষ নিয়মের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঘর পরিষ্কার করে নতুন রান্না করা, তুলসী পাতাসহ গঙ্গাজল বাড়ি জুড়ে ছেটানো এবং দুপুর ১২টা ৩৯ মিনিটের আগে মাটিতে শাবল বা লাঙল না চালানো। এছাড়া, ব্রাহ্মণ বা দুঃস্থকে অন্নদান কিংবা গরুকে খাবার খাওয়ানো পিতৃদোষ মুক্তি ও আর্থিক স্বচ্ছলতার জন্য শুভ বলে গণ্য হয়। নিবৃত্তির দিন স্নান শেষে পরিষ্কার কাপড় পরিধান, সন্ধ্যাবেলায় ঠাকুর ঘরে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালানো এবং নিরামিষ আহার গ্রহণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী দুপুর ১২টা ৩৯ মিনিটের পর থেকে যেকোনো শুভ কাজ শুরু করা যেতে পারে। স্বাস্থ্যবিধি ও জীবাণুমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখার প্রাচীন পদ্ধতি হিসেবেই এই শাস্ত্রীয় নিয়মগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।