দান করা দেহ নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য, অবশেষে নড়েচড়ে বসল মানবাধিকার কমিশন!
চিকিৎসা-শিক্ষায় ব্যবহৃত মৃতদেহ বা ‘ক্যাডাভার’ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে নড়েচড়ে বসল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (NHRC)। দেহদাতার মর্যাদা ও সম্মান রক্ষার দাবিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের কাছে ‘অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট’ (ATR) তলব করেছে কমিশন। চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকগুলিকে ঘটনার প্রেক্ষিতে নেওয়া পদক্ষেপের বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি কৌতুকশিল্পী প্রণীত মোরের ‘দ্য অশ্লীল শো’-এর একটি ভিডিয়ো ঘিরে এই বিতর্কের সূত্রপাত। ওই শো-তে উপস্থিত এক এমবিবিএস পড়ুয়া অ্যানাটমি ক্লাসে ব্যবহৃত পুরুষ ক্যাডাভারের শারীরিক গঠন নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। ‘ইউনাইটেড ডক্টর্স ফ্রন্ট’-এর করা অভিযোগের ভিত্তিতে কমিশন জানিয়েছে, চিকিৎসা-শিক্ষায় ব্যবহৃত ক্যাডাভার দেহদাতার মানবিক অবদানের প্রতীক। এ ধরনের আচরণ কেবল অনৈতিকই নয়, বরং দেহদানের মতো মহৎ উদ্যোগকে সামাজিকভাবে অসম্মান করে। চিকিৎসক সংগঠনগুলির মতে, জনসমক্ষে এ ধরনের কন্টেন্ট তৈরি ভবিষ্যতে মানুষকে দেহদানে নিরুৎসাহিত করতে পারে, তাই বিষয়টিতে কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।