বিক্ষোভ দমাতে নয়া আইন, শুভেন্দুর নতুন চাল!
রাজনৈতিক মিছিল, দাঙ্গা বা বিক্ষোভে সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় অভিযুক্তদের থেকে সরাসরি ক্ষতিপূরণ আদায়ের লক্ষ্যে ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেনটেন্যান্স অব পাবলিক অর্ডার (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ বিধানসভায় পেশ করা হয়েছে। ১৯৭২ সালের বিদ্যমান আইনটি সংশোধন করে সরকার এই নতুন বিলটি এনেছে, যার মাধ্যমে অপরাধীদের আর্থিকভাবে দায়বদ্ধ করার কৌশল নেওয়া হয়েছে। এই আইনের আওতায় রাস্তা, সেতু, সরকারি অফিস, হাসপাতাল, স্কুল, কারখানা এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
নতুন এই বিলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ ও দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে একটি স্বাধীন ‘ক্লেমস কমিশন’ গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যা দেওয়ানি আদালতের মতো ক্ষমতা ভোগ করবে। এতে শুধু ভাঙচুরকারীরাই নয়, ঘটনার নেপথ্যের মদতদাতা ও পরিকল্পনাকারীদেরও ক্ষতিপূরণের আওতায় আনা হবে। নির্দেশিত অর্থ নির্দিষ্ট সময়ে পরিশোধ না করলে তার ওপর সুদ আরোপ করা হবে এবং বকেয়া ভূমি রাজস্বের মতো আইনি প্রক্রিয়ায় প্রশাসন তা বাজেয়াপ্ত করতে পারবে। এছাড়া, ফৌজদারি মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও ক্ষতিপূরণ আদায়ের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে এবং প্রকৃত ক্ষতির দ্বিগুণের বেশি ‘দৃষ্টান্তমূলক’ অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ ধার্য করার ক্ষমতা থাকবে কমিশনের হাতে।