তারকেশ্বরে চতুর্থ সোমবারে চরম বিপাকে পুণ্যার্থীরা!
বার্তা ডেস্কঃ
শ্রাবণী মেলার চতুর্থ সোমবারে তারকেশ্বরে ভক্তদের সমাগম হলেও দ্বিতীয় ও তৃতীয় সপ্তাহের তুলনায় পুণ্যার্থীর সংখ্যা ছিল বেশ কম। বেলা ৩টের মধ্যেই মন্দিরমুখী ভিড় স্বাভাবিক হয়ে আসে এবং রাস্তার ধারের শিবমূর্তিগুলোতেও জল ঢালার প্রবণতা কম দেখা যায়। তবে এদিন হঠাৎ করেই মোবাইল পরিষেবা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ায় চরম ভোগান্তির শিকার হন পুণ্যার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশাসনিক কর্তারা। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় মেলায় আসা বহু দলছুট তীর্থযাত্রী নিজেদের সঙ্গীদের খুঁজে পেতে চূড়ান্ত নাজেহাল হন। প্রতি বছর মেলার সময় নেটওয়ার্কের এই বেহাল দশায় ক্ষুব্ধ পুণ্যার্থীরা অবিলম্বে অস্থায়ী টাওয়ার বসিয়ে সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
প্রচণ্ড গরমের কারণে সরকারি জলসত্র এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর শিবিরে এদিন তীর্থযাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। উল্লেখ্য, নতুন সরকার গঠনের পর এবারের শ্রাবণী মেলাকে ‘জাতীয় মেলা’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, আগামী বছর এই মেলাকে কেন্দ্র করে আরও নতুন কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে পুণ্যার্থীদের সবরকমের পরিষেবা নিশ্চিতে প্রশাসন সজাগ দৃষ্টি রাখছে। পাশাপাশি, প্রতি রবিবার তারকেশ্বর থেকে নিমাইতীর্থ ঘাট পর্যন্ত হেলিকপ্টারের মাধ্যমে তীর্থযাত্রীদের ওপর পুষ্পবৃষ্টি করে বিশেষ সম্মান জানানো হচ্ছে।