গোপাল পাঁঠা না থাকলে অস্তিত্ব শূন্যে ঠেকত, বিভাজন বিভীষিকায় বিস্ফোরক স্মৃতিচারণ!
বার্তা ডেস্কঃ
১৪ অগস্ট ‘বিভাজন বিভীষিকা স্মরণ দিবস’ উপলক্ষে মৌলালি যুবকেন্দ্রের বিশেষ অনুষ্ঠানে দেশভাগের রক্তাক্ত ইতিহাস স্মরণ করে একতাবদ্ধ থাকার বার্তা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ১৯৪৬ সালের ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’, নোয়াখালির গণহত্যা এবং ১৯৭১ সালের মর্মান্তিক স্মৃতি তুলে ধরে তিনি জানান, সে দিন গোপাল মুখোপাধ্যায়ের (গোপাল পাঁঠা) সাহসিক প্রতিরোধ না থাকলে এই ভূখণ্ডে অস্তিত্ব রক্ষা করা আসাম্ভব হতো। রাজভবনের প্রস্তাব মেনে আয়োজিত এই সরকারি কর্মসূচিতে উত্তর কলকাতার ঐতিহাসিক তাৎপর্য ব্যাখ্যা করার পাশাপাশি অখণ্ড ভারতের চেতনা রক্ষায় দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে শুভেন্দু জানান, অতীতে কলকাতার ‘সুরাবর্দি’ রাস্তার নতুন নামকরণ করা হয়েছে ‘গোপাল মুখার্জি অ্যাভিনিউ’। এই নামবদল ঘিরে একাংশের তরজাকে কটাক্ষ করে তিনি জিন্নার চক্রান্ত ও দেশভাগের রাজনৈতিক স্বার্থের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ক্ষমতার লোভে চাপিয়ে দেওয়া দ্বিজাতি তত্ত্বের মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষকে ছিন্নমূল করা হয়েছিল। অতীতের সেই যন্ত্রণাদগ্ধ ইতিহাস এবং প্রতিরোধ লড়াইকে ভুলে না গিয়ে শিক্ষা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।