জনগণনার আগে জেনে নিন সব নিয়ম, তথ্য কি সত্যিই সুরক্ষিত?
বার্তা ডেস্কঃ
২০২৭ সালের জনসংখ্যা গণনার (সেন্সাস) জন্য জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সম্প্রতি জনসংখ্যা গণনা বা ‘পপুলেশন এনুমারেশন’ পর্বের জন্য ৪০টি নির্দিষ্ট প্রশ্নের একটি আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
কী কী নতুন এবং মূল বৈশিষ্ট্য থাকছে এবারের জনগণনায়?
- সব সম্প্রদায়ের জাত গণনা: স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার ২০১১ সালের প্রথা ভেঙে তপশিলি জাতি (SC) ও উপজাতিদের (ST) পাশাপাশি সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষের জাত বা কাস্টের বিবরণ সংগ্রহ করা হবে। উত্তরদাতার নিজস্ব ঘোষণা অনুযায়ী এই তথ্য নথিভুক্ত হবে।
- ৪০টি নির্ধারিত প্রশ্ন: বাড়ি বাড়ি গিয়ে আধিকারিকরা পরিবার, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও স্থানান্তরের পাশাপাশি একাধিক আধুনিক তথ্য জানতে চাইবেন। এর মধ্যে রয়েছে আধার নম্বর, কোভিডের টিকার বিবরণ, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা, মোবাইল নম্বর, ভোটার আইডি, পাসপোর্ট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত প্রশ্ন। তবে আধার, মোবাইল বা ভোটার আইডির মতো তথ্য প্রদান সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাধীন বা উপলব্ধতার ওপর নির্ভরশীল।
- ভারতের প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল সেন্সাস: প্রথাগত কাগজের ফর্মের বদলে এটিই হতে চলেছে দেশের প্রথম ডিজিটাল জনগণনা। অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ চাইলে নিজেরাও অনলাইনে নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারবেন।
সময়সূচি ও তথ্যের সুরক্ষা লাদাখ, জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের মতো দুর্গম বরফাবৃত অঞ্চলে শীঘ্রই এই কাজ শুরু হচ্ছে। দেশের বাকি অংশে মূল জনসংখ্যা গণনার কাজ সম্পন্ন হবে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, সেন্সাস আইনের ১৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী সংগৃহীত সমস্ত তথ্য সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে। এই তথ্য কোনোভাবেই RTI (তথ্য জানার অধিকার আইন)-এর মাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে না বা অন্য কোনো আইনি প্রমাণের কাজে ব্যবহার করা হবে না।