ইউক্রেন যুদ্ধের শিক্ষা থেকে ভারতের নতুন চমক, আকাশপথে কি ইতিহাস গড়বে ড্রোনাচার্য?
বার্তা ডেস্কঃ
৭৮তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার প্রাচীর থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ড্রোন প্রযুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক সমরাস্ত্রে ভারতকে আত্মনির্ভর করার বার্তা দেন তিনি। ভারত আর কেবল বিদেশি সমরাস্ত্রের ওপর নির্ভর করবে না, বরং বিশ্ববাজারে প্রযুক্তি রপ্তানি করবে বলে ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন, কাউন্টার-ড্রোন এবং হাইপারসনিক প্রযুক্তিতে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার লক্ষ্যে ‘ড্রোনাচার্য’ ধারণার উত্থাপন করেন তিনি, যা একসময়ের প্রথাগত সামরিক সরঞ্জামের ধারণাকে পুরোপুরি বদলে দিচ্ছে।
প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর ও শক্তি ক্ষেত্রে ভারতের অভূতপূর্ব অগ্রগতির কথা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে ভারতে ৩টি সেমিকন্ডাক্টর প্ল্যান্ট কাজ করছে এবং খুব শীঘ্রই আরও ৫টি নতুন প্ল্যান্ট স্থাপন করে মোট ৮টিতে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার সংকল্পে ১০০ গিগাওয়াট পরমাণু শক্তি উৎপাদনের লক্ষ্যে দেশ এগিয়ে চলছে। প্রযুক্তির এই স্বনির্ভরতা এবং নিজস্ব সামরিক ক্ষমতাবৃদ্ধির মাধ্যমে ভারতের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে বলেই মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।