মমতা-অভিষেকেই কি জিতল বিজেপি? কার্তিক মহারাজের মন্তব্যে তোলপাড়!
বার্তা ডেস্কঃ
বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির অভূতপূর্ব সাফল্যের নেপথ্যে দলের নেতা-কর্মী বা সাধুসন্তদের কোনো কৃতিত্ব নেই; বরং এই জয়ের আসল কারিগর তৃণমূল নেতৃত্ব নিজে! মঙ্গলবার কালনায় বিজেপি কার্যালয় পরিদর্শনে এসে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন কার্তিক মহারাজ। তাঁর মতে, রাজ্য জুড়ে গীতাপাঠ কর্মসূচি হিন্দুদের মধ্যে চেতনার সঞ্চার করলেও, ফিরহাদ হাকিম ও হুমায়ুন কবীরদের ধারাবাহিক সাম্প্রদায়িক মন্তব্য এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নানা মন্তব্য সাধারণ মানুষের মনে চরম আতঙ্ক ও আশঙ্কার সৃষ্টি করেছিল। সাধারণ মানুষ বুঝতে পেরেছিলেন যে শাসকদল ক্ষমতায় থাকলে রাজ্যে অস্থিরতা বাড়বে। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অহঙ্কার ও দম্ভের চরম জবাব দিতেই ভোটাররা ব্যালট বাক্সে পদ্মফুলকে বেছে নিয়েছেন। মহারাজ স্পষ্ট জানান, তৃণমূলের এই আগ্রাসী নীতি ও মন্তব্যের কারণেই বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক অভূতপূর্বভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।
কালনায় একটি ১৩১ ফুটের বিশালাকার শিবলিঙ্গ নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করতে এসে কার্তিক মহারাজ রাজ্য রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়েও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি জানান, আসন্ন ডিলিমিটেশনের ফলে রাজ্যে বিধানসভা আসন সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩৫০ হতে চলেছে, যার কৃতিত্ব সম্পূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। এই আসন বৃদ্ধির ফলে ভবিষ্যতে বিজেপির জয়ের ব্যবধান আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এ দিন তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কালনার বিধায়ক সিদ্ধার্থ মজুমদার এবং উদ্যোক্তা সুব্রত পাল। সুব্রত বাবু জানান, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে বাধা থাকলেও বর্তমান অনুকূল পরিস্থিতিতে তাঁরা দ্রুত এই শিবলিঙ্গ নির্মাণ এবং এলাকায় একটি নতুন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি গড়ার কাজ শুরু করতে অত্যন্ত আশাবাদী।