ফরাক্কা বাঁধের জেরে কেন এত অশান্তি, বিপাকে পশ্চিমবঙ্গ!
বার্তা ডেস্কঃ
গঙ্গা নদীর জলবণ্টন নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ফরাক্কা চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হতে চলেছে। চুক্তি নবীকরণের আগে শুখা মরশুমে জলের ন্যায্য হিস্যার ‘গ্যারান্টি’ চাইছে ঢাকা। জলবায়ু পরিবর্তন ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ দর্শিয়ে প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, ফরাক্কা ব্যারেজের কারণে গঙ্গায় পলি জমে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে বিহার। তাদের দাবি, গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশকে জল ছাড়ার ফলে বিহারে সেচ ও পানীয় জলের চরম সংকট দেখা দিচ্ছে।
ফরাক্কা ব্যারেজ নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য ছিল হুগলি নদীতে জলপ্রবাহ স্বাভাবিক রেখে কলকাতা ও হলদিয়া বন্দরের নাব্যতা বজায় রাখা। তাই বাংলাদেশকে অতিরিক্ত জল দিলে পশ্চিমবঙ্গের নিজস্ব চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে রাজ্যের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। সম্প্রতি বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে বিহার সরকার পশ্চিমবঙ্গের কাছে ফরাক্কার সব গেট খুলে দেওয়ারও আবেদন জানিয়েছে। আগামী দিনে বাংলাদেশ, বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গের এই ত্রিমুখী স্বার্থের সংঘাত সামলে নতুন জলচুক্তি চূড়ান্ত করাই এখন কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।