বাপু ও শাস্ত্রীর দেখানো পথেই বিকশিত হবে ভারত!
বার্তা ডেস্কঃ
জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর জন্মজয়ন্তীতে দিল্লির রাজঘাটে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে বিনম্র শ্রদ্ধা জানান তিনি। শ্রদ্ধা জানানোর সেই বিশেষ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও পরবর্তীতে তাঁর ‘এক্স’ (টুইটার) হ্যান্ডেলেও প্রকাশ করা হয়।
‘বিকশিত ভারত’ গঠনে বাপুর বার্তা: সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া বার্তায় প্রধানমন্ত্রী জানান, বাপুর আদর্শ ও শিক্ষাই দেশকে উন্নত এবং ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যাবে। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মবলিদান দেশের অগ্রগতির পথে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি বিগত বছরের গান্ধী জয়ন্তী উদযাপনের বেশ কিছু স্মৃতিও শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী।
বিজয় ঘাটে শাস্ত্রী জয়ন্তী: রাজঘাটে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানোর পর প্রধানমন্ত্রী যান বিজয় ঘাটে। সেখানে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি। প্রতি বছর ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর সঙ্গে পালিত হয় শাস্ত্রী জয়ন্তীও। এই দিনটিতে দেশের দুই মহান নেতার অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। পাশাপাশি দিল্লির গান্ধী স্মৃতি সৌধে আয়োজিত হয় সর্বধর্ম প্রার্থনা সভা।
বাংলাজুড়ে উদযাপিত গান্ধী জয়ন্তী: দিল্লির পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গজুড়েও পালিত হচ্ছে গান্ধী জয়ন্তী।
- ব্যারাকপুর গান্ধী ঘাট: পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে বাপুকে শ্রদ্ধা জানান রাজ্যের শ্রম ও পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং।
- কলকাতা (মেয়ো রোড): মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী। রাজ্যপালসহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
উল্লেখ্য, প্রতি বছর ২ অক্টোবর মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকী হিসেবে দেশজুড়ে পালিত হয়। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে অসামান্য অবদানের জন্য নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সর্ব প্রথম তাঁকেই ‘জাতির জনক’ আখ্যায় ভূষিত করেছিলেন।