৬০ বছর বয়সেও খালি পায়ে দৌড়! মিলিন্দ সোমানের গোপন রহস্য ও ঝুঁকি কী?
বার্তা ডেস্কঃ
বয়স ষাট ছুঁইছুঁই হলেও ফিটনেসে তরুণদের টেক্কা দিচ্ছেন অভিনেতা মিলিন্দ সোমান। সম্প্রতি মাত্র ছয় দিনের ব্যবধানে দুটি ফুল-ডিস্ট্যান্স আয়রনম্যান ট্রায়াথলন সম্পন্ন করে তিনি নতুন নজির গড়েছেন। এত কঠিন শারীরিক ধকল সামলানোর পরও জুতোর বদলে খালি পায়ে দৌড়ানোই তাঁর পছন্দ। মিলিন্দের এই অভ্যাসের পর থেকে বর্তমানে ‘বিয়ারফুট রানিং’ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। খালি পায়ে দৌড়ালে পায়ের সামনের অংশ আগে মাটিতে পড়ে, যা শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য রক্ষা করে। এতে জুতোর সাপোর্ট ছাড়া পায়ের পাতার পেশিগুলো বেশি সক্রিয় হয়, যার ফলে পেশির নমনীয়তা ও মস্তিষ্কের সেন্সরি ফিডব্যাক বৃদ্ধি পায়।
তবে অন্ধভাবে মিলিন্দ সোমানকে অনুকরণ করতে গেলে লুকিয়ে রয়েছে বড় বিপদ। হঠাৎ খালি পায়ে দৌড়ানো শুরু করলে কাফের পেশি ও অ্যাকিলিস টেন্ডনে মারাত্মক চোট লাগতে পারে। তাছাড়া শহরের কংক্রিটের রাস্তায় কাচ বা ধারালো বস্তুর আঘাতে পায়ের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই শারীরিক সক্ষমতা বুঝে ধীরে ধীরে ঘাস বা নরম স্থানে অভ্যাস করা উচিত। বিশেষ করে ডায়াবেটিস বা পায়ের গঠনগত সমস্যা থাকলে বিশেষজ্ঞদের মতে খালি পায়ে দৌড়ানো একদমই উচিত নয়।