দুর্গার দশ হাতে কোন অস্ত্রের কী রহস্য, জানেন কি?
বার্তা ডেস্কঃ
পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, অসুররাজ মহিষাসুরের অত্যাচারে যখন স্বর্গলোক বিপর্যস্ত, তখন দেবতারা ত্রিমূর্তির শরণাপন্ন হন। ব্রহ্মার বর থাকায় কেবল নারীর পক্ষেই তাঁর বিনাশ সম্ভব ছিল। এই সংকট থেকে রক্ষা পেতে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরের দিব্য তেজ একত্রিত হয়ে জন্ম নেয় আদ্যাশক্তি মহামায়া দেবী দুর্গার। রণরঙ্গিনী দেবীকে অসুর বধের জন্য ত্রিলোকের সমস্ত দেবতারা তাঁদের সর্বশ্রেষ্ঠ অস্ত্র দিয়ে সজ্জিত করেছিলেন, যার প্রতিটি আয়ুধের পেছনে রয়েছে গভীর আধ্যাত্মিক তাৎপর্য।
দেবীর দশহাতে সুসজ্জিত এই দিব্য অস্ত্রগুলির মধ্যে দেবাধিদেব মহাদেব নিজের ত্রিশূল প্রদান করেন, যা মানবজীবনের সত্ত্ব, রজঃ ও তমঃ গুণের প্রতীক। বিষ্ণু দেন সুদর্শন চক্র, বরুণদেব দেন শঙ্খ, এবং ইন্দ্র দেব দান করেন বজ্র ও ঘণ্টা। এছাড়া যমরাজ কালদণ্ড, পবনদেব ধনুক ও তীর, ব্রহ্মা পদ্মফুল এবং নাগপাশ দান করেছিলেন শেষনাগ। এই সমস্ত অস্ত্রের সম্মিলিত শক্তিতেই দেবী দুর্গা অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে ধর্মে রক্ষা করেছিলেন।