বিয়ের রেজিস্ট্রি না থাকলে কি আপনার সম্পর্ক আইনি বৈধতা হারাবে? জানুন আদালতের আসল নিয়ম!
বার্তা ডেস্কঃ
ভারতে হিন্দু বিবাহ আইন, ১৯৫৫ অনুযায়ী কেবল সামাজিক রীতি ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান মেনে বিয়ে হলেও তা আইনিভাবে বৈধ থাকে এবং রেজিস্ট্রেশন না থাকার কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয় না। এমনকী ১০ বা ২০ বছর পুরনো বিয়েও প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র জমা দিয়ে যেকোনো সময় নথিভুক্ত করানো সম্ভব। তবে বিয়ের সরকারি প্রমাণপত্র বা ম্যারেজ সার্টিফিকেট না থাকলে কোনো এক পক্ষ সম্পর্ক অস্বীকার করলে অথবা বিচ্ছেদ ও খোরপোশের মামলায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। সেক্ষেত্রে আদালতকে বিয়ের ছবি, ভিডিয়ো বা সাক্ষীদের জবানবন্দির ওপর নির্ভর করতে হয়।
সামাজিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিয়ে হলেও ভবিষ্যতের বিভিন্ন আইনি ও প্রশাসনিক সুরক্ষার জন্য ম্যারেজ সার্টিফিকেট অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে ব্যাঙ্ক নথিতে তথ্য সংশোধন, জীবনবিমা, পেনশন, সম্পত্তির উত্তরাধিকার দাবি এবং বিদেশে স্বামী বা স্ত্রীর ভিসার আবেদনের ক্ষেত্রে এই শংসাপত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিয়ের সরকারি নথি না থাকলে পরবর্তীতে আইনি অধিকার প্রমাণ করতে গিয়ে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ অপচয় হতে পারে। তাই সামাজিক বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুত রেজিস্ট্রেশন করিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।