এক্সিট পোলকে ‘শেয়ার বাজারের খেলা’ বলে উড়িয়ে দিলেন মমতা, ২০০ পারের হুঙ্কার

বাংলার মসনদ কার দখলে থাকবে, তার চূড়ান্ত ফয়সালা হবে সোমবার। তবে গণনার ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে এক্সিট পোল বা বুথফেরত সমীক্ষাকে সম্পূর্ণ নস্যাৎ করে দিয়ে দলীয় কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাট থেকে ভার্চুয়াল বৈঠকে নেত্রী দাবি করেছেন, এবারের ফল ২০২১-এর রেকর্ডকেও ছাপিয়ে যাবে এবং তৃণমূল ২০০-র বেশি আসন নিয়ে চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করবে।
এক্সিট পোল ও শেয়ার বাজার বিতর্ক
বিভিন্ন সংস্থার বুথফেরত সমীক্ষায় শাসকদলের প্রতিকূল ফলের যে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তাকে বিজেপি-র সাজানো ছক বলে মন্তব্য করেছেন তৃণমূলনেত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, “এই সব সমীক্ষা আসলে শেয়ার বাজারকে প্রভাবিত করার একটি কৌশল মাত্র। বিজেপি নিজেদের হার নিশ্চিত জেনেই মানুষকে বিভ্রান্ত করতে এই খেলা খেলছে।” অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই সুরে মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, ২০২১ ও ২০২৪ সালেও সমীক্ষার ফল বাস্তবে মেলেনি।
আধিকারিকদের হুঁশিয়ারি ও গণনার কৌশল
এদিনের বৈঠকে সবচেয়ে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত পক্ষপাতদুষ্ট আধিকারিকদের প্রতি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, যে সমস্ত পুলিশ ও প্রশাসনিক অফিসার অসাংবিধানিক আচরণ করেছেন, ৪ মে-র পর তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রে কাউন্টিং এজেন্টদের এক ইঞ্চি জমিও না ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সামান্য ব্যবধানে পিছিয়ে থাকলে তৎক্ষণাৎ পুনর্গণনা বা ‘রি-কাউন্টিং’-এর দাবি তোলার জন্য কড়া নির্দেশ দিয়েছে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। মূলত কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘অত্যাচার’ ও কমিশনের ভূমিকার বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাই দিয়েছেন ঘাসফুল শিবিরের সেনাপতিরা।