ভোটার তালিকা থেকে ১৫% উধাও! ইস্তফার দাবিতে উত্তাল ইন্ডিয়া ব্লকের মক পার্লামেন্ট
বার্তা ডেস্কঃ
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে প্রতীকী ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু করল বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার মীরা কুমারের সভাপতিত্বে এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে আয়োজিত এই ‘মক পার্লামেন্টে’ ২১টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। সমাবেশে রাহুল গান্ধী চাঞ্চল্যকর দাবি করে বলেন, ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩.১ কোটি মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, যা মোট ভোটারের ১৫ শতাংশ। তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, অমিত শাহ বা নরেন্দ্র মোদী কাউকেই জ্ঞানেশ কুমারকে বাঁচানোর রক্ষাকবচ হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। অন্যদিকে, মল্লিকার্জুন খাড়গে অভিযোগ করেন, ইডি-সিবিআই এবং নির্বাচনী বন্ডের অপব্যবহারের পর এবার সরাসরি ভোটে কারচুপি শুরু হয়েছে। মেহবুবা মুফতি ও আইসা সভানেত্রী নেহা বোরাসহ অন্যান্য নেতারাও এই প্রক্রিয়ার চরম বিরোধিতা করেন।
তবে বিরোধীদের এই নজিরবিহীন আক্রমণকে তীব্র ভাষায় পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। দলীয় সাংসদ সম্বিত পাত্র ইতিহাস টেনে দাবি করেন, ভারতে যদি সত্যি কখনও ভোট চুরি হয়ে থাকে, তবে তা করেছিলেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু, যিনি সর্দার বল্লভভাই পটেলের সমর্থন থাকা সত্ত্বেও অনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গদিতে বসেছিলেন। আগামী ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে প্রস্তাবিত বৃহৎ সমাবেশের ঠিক আগেই বিরোধীদের এই প্রতীকী পদক্ষেপ দেশের রাজনীতিতে বিশাল শোরগোল ফেলে দিয়েছে। রাহুল গান্ধী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এবং সংবিধান রক্ষায় এই লড়াই থেকে পিছিয়ে আসার আর কোনো বিকল্প বিরোধীদের সামনে খোলা নেই।