চোরবাগানের অঘটনের শিক্ষা, পুজোয় নবান্নের কড়া বার্তা!

বার্তা ডেস্কঃ

চোরবাগানের সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে অত্যন্ত তৎপর রাজ্য প্রশাসন। কালীপুজো, দীপাবলি, জগদ্ধাত্রী পুজো, কার্তিক পুজো এবং ছট পুজোকে কেন্দ্র করে সুরক্ষার স্বার্থে একটি বিশেষ ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর’ বা SOP প্রকাশ করেছে নবান্ন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং অগ্নিমিত্রা পলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর স্থানীয় প্রশাসন ও পুরসভাগুলির জন্য এই কড়া নির্দেশনা জারি করা হলো। গত ৩১ অক্টোবর থানা, দমকল, স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও পুরসভার আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই একটি সমন্বয় বৈঠক শেষ করেছেন। এই নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, পুজো উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে প্রশাসনিক আধিকারিক—সবাইকে নির্দিষ্ট নিয়মাবলী কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

প্রকাশিত নির্দেশিকায় মূলত মণ্ডপের নিরাপত্তা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং অগ্নি সুরক্ষার ওপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী এবং বারাসাতের কালীপুজোর মতো জনবহুল মণ্ডপগুলোতে পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক ও পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশ রয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপের নকশা খতিয়ে দেখতে মহকুমাশাসক ও পুলিশ যৌথভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি প্রবেশ ও প্রস্থান পথ প্রশস্ত রাখা, আলো নিশ্চিত করা, প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র ও অ্যাম্বুল্যান্সের বন্দোবস্ত রাখার কথা বলা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ড এড়াতে মণ্ডপের কাছে বাজি পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং খবর পাওয়ার ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে যাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো যায়, সেই অনুযায়ী দমকলকে প্রস্তুত থাকার কড়া নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *