মহার্ঘভাতার বৈষম্য! প্রবীণদের বঞ্চনার নেপথ্যে কোন বিস্ফোরক তথ্য?

বার্তা ডেস্কঃ

মহার্ঘভাতা বা ডিএ নিয়ে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের দীর্ঘদিনের সংঘাত নতুন মোড় নিল। কেন্দ্রের পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতাধীন কর্মীরা যখন ৪৯৭ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন, তখন পশ্চিমবঙ্গের চতুর্থ বেতন কমিশন বা ‘রোপা ১৯৯৮’-এর আওতায় থাকা কর্মী ও পেনশনভোগীরা দীর্ঘ তিন বছর ধরে সেই সুধি থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। অভিযোগ, ২০১৯ সালের পর থেকে রাজ্যের অর্থ দফতর এই অংশের কর্মীদের ডিএ কার্যত ফ্রিজ করে রেখেছে, যার ফলে তাঁরা মাত্র ২১৩ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন।

এই বিপুল আর্থিক বৈষম্যের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সত্তর ও আশি বছরের প্রবীণ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীরা। কর্মচারী সংগঠনের একাংশের দাবি, বর্তমান বিজ্ঞপ্তিতে রোপা ১৯৯৮-এর উল্লেখ সচেতনভাবে বাদ দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে এই প্রবীণরা তাঁদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। শেষ বয়সে এসে এই বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে অবিলম্বে কেন্দ্রের ধাঁচে বকেয়া মহার্ঘভাতা চালুর জোরালো দাবি তুলেছেন ক্ষুব্ধ পেনশনভোগীরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *