শেয়ার বাজারে বড় ধাক্কা, এলটিসিজি কর কি তবে সরকারি কোষাগার শূন্য করবে?
বার্তা ডেস্কঃ
বাজারের মন্দায় রাজস্ব আয়ে প্রভাব: আশ্বস্ত করছেন বিশেষজ্ঞরা
দেশের শেয়ার বাজারে চলমান অস্থিরতা ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বড় আকারের মূলধন উত্তোলনের ফলে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রায় কিছুটা ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এসবিআই-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ অর্থবর্ষে শেয়ার বাজারের ৩০ শতাংশ উল্লম্ফনের সুবাদে কর বাবদ যে বিপুল আয় হয়েছিল, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি তার চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (FII) লাগাতার অর্থ তুলে নেওয়া এবং নিফটির তিন বছরের গড় রিটার্ন মাত্র ০.৫ শতাংশে নেমে আসায় কর সংগ্রহের ক্ষেত্রে এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
সামাল দেওয়া সম্ভব সরকারি ঘাটতি
আর্থিক বিশ্লেষকদের মতে, কর বিলোপজনিত সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতির যে হিসাব আগে করা হয়েছিল, বর্তমান বাস্তবতায় তা কার্যকর নয়। যদিও বাজারের এই দুর্বলতায় সরকারের রাজস্ব আয় কমেছে, তবে জিডিপির অনুপাতে এই ঘাটতির পরিমাণ মাত্র ০.১ থেকে ০.২ শতাংশ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি অত্যন্ত নগণ্য এবং সরকার খুব সহজেই এই পরিস্থিতি সামলে নিতে সক্ষম হবে। ফলে দেশের সামগ্রিক আর্থিক সংহতকরণ বা ফিসকাল কনসোলিডেশন রোডম্যাপের ওপর এর কোনো বিরূপ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই।
এক ঝলকে
- শেয়ার বাজারের মন্দা ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মূলধন উত্তোলনের কারণে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- চলতি ও আগামী অর্থবর্ষে বাজারের দুর্বল রিটার্নই আয়ের এই ঘাটতির মূল কারণ।
- জিডিপির মাত্র ০.১–০.২ শতাংশ ঘাটতি হওয়ায় সরকারের আর্থিক সংহতকরণ পরিকল্পনায় কোনো ঝুঁকি নেই।
- ২০২৫ অর্থবর্ষের রেকর্ড আয়ের সাথে বর্তমানের তুলনা করে বড় ক্ষতির আশঙ্কা করা অবাস্তব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।