৬ মাস পর খুলছে বদ্রীনাথের দরজা! কার কাছে থাকে চাবি ও কী সেই গা শিউরে ওঠা রহস্য?
উত্তরাখণ্ডের চারধাম যাত্রার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র বদ্রীনাথ ধাম। প্রতি বছর দীর্ঘ ছয় মাসের শীতকালীন বিরতির পর যখন এই মন্দিরের দরজা ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হয়, তখন সেখানে লক্ষাধিক পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটে। মন্দিরের বিশেষ রীতিনীতি ও প্রথাকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে রয়েছে ব্যাপক কৌতূহল ও উন্মাদনা।
বদ্রীনাথ মন্দিরের চাবির দায়িত্ব টিহরি গাড়ওয়ালের মহারাজার অধীনে থাকে, যা মন্দির খোলার দিন বিশেষ শোভাযাত্রার মাধ্যমে মন্দিরে নিয়ে আসা হয়। শীতের দীর্ঘ ছয় মাস যখন সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকে না, তখন মন্দিরের ভেতরে একটি ‘অখণ্ড জ্যোতি’র প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত থাকে, যা দীর্ঘ সময় ধরে অমলিন থাকে বলে প্রচলিত। এছাড়া মন্দিরের অদূরে অবস্থিত ‘তপ্ত কুণ্ড’ নামক গরম জলের উৎসটি প্রচণ্ড ঠান্ডাতেও ফুটন্ত অবস্থায় থাকে, যা এক রহস্যময় প্রাকৃতিক ঘটনা। পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, দেবী লক্ষ্মী বদ্রী গাছের রূপ ধারণ করে ভগবান বিষ্ণুকে রোদ-বৃষ্টি থেকে আগলে রেখেছিলেন বলেই এই স্থানের নাম বদ্রীনাথ হয়েছে এবং এখানে বিষ্ণু ধ্যানমগ্ন অবস্থায় বিরাজমান।