রাজ্যের প্রাচীন মঠ-মন্দির সংস্কারে ১০০০ কোটির ‘তীর্থক্ষেত্র সার্কিট’ প্রকল্প, কালীপুজোর মঞ্চে বড় ঘোষণা
শুক্রবার আরংঘাটার শতদল ক্লাবের কালীপুজো উদ্বোধনে গিয়ে রাজ্যের প্রাচীন মঠ ও মন্দির সংস্কারের জন্য ১০০০ কোটি টাকার ‘তীর্থক্ষেত্র সার্কিট’ প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছে। ব্যক্তিগত জায়গা ব্যতীত দেবোত্তর, ট্রাস্ট ও সার্বজনীন প্রাচীন মন্দিরগুলি সংস্কারে আগামী দুই বছরে এই বিপুল অর্থ ব্যয় করা হবে, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কেদারনাথ বা কাশীর উন্নয়নের ধাঁচে পরিকল্পিত। পাশাপাশি, আসন্ন জগদ্ধাত্রী পুজোয় চন্দননগর ও কৃষ্ণনগর এবং রাস পূর্ণিমায় নবদ্বীপ, শান্তিপুর ও কোচবিহারকে বিশেষভাবে সাজানোর উদ্যোগের কথা জানানো হয়। গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক মেলা হিসেবে ঘোষণা করে ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ২২ নভেম্বর রাস পূর্ণিমায় নবদ্বীপে শ্রীচৈতন্যদেবের ধামে ধর্মীয় কার্যক্রমে যোগ দেওয়ার কথাও তিনি নিশ্চিত করেন।
বক্তব্যে নারী সুরক্ষা প্রসঙ্গে নদিয়ার হাঁসখালির ঘটনার উল্লেখ করে বিগত সরকারের আমলের আইনশৃঙ্খলা ও মহিলা নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। এছাড়া, আগে দুর্গাপুজোর বিসর্জন ও কাঁসর-ঘণ্টা বাজানোয় বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে দাবি করা হয় যে, বর্তমানে রাজ্যে পুজোর সংখ্যা ১৩ হাজার থেকে বেড়ে ৫৮ হাজারে পৌঁছেছে এবং এ বছর কোথাও বাধা সৃষ্টি হয়নি।