গেরুয়া আলোয় সেজেছে নবান্ন এবং নতুন সরকারের প্রথম কর্মদিবসে বড় সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দপ্তর নবান্নে সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে এক নতুন অধ্যায়। দীর্ঘ দেড় দশক পর নবান্নের রাজনৈতিক রং বদলের প্রতীক হিসেবে ভবনটিকে রবিবার রাতেই গেরুয়া আলোয় সাজিয়ে তোলা হয়েছে। নীল-সাদা আভার পরিবর্তে এই নতুন আলোকসজ্জা রাজ্যের ক্ষমতার পরিবর্তনের এক স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নবান্নে প্রথমবার পা রাখবেন শুভেন্দু অধিকারী, যা ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
নতুন ভোরের ব্লু প্রিন্ট ও প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক
সোমবার দুপুর ১২টায় নবান্নে নবগঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকেই রাজ্যের ‘নবনির্মাণ’ বা পুনর্গঠনের প্রাথমিক রূপরেখা বা ব্লু প্রিন্ট তৈরি হতে পারে। নতুন সরকারের অগ্রাধিকার কী হবে এবং কোন পথে রাজ্য প্রশাসন পরিচালিত হবে, তার প্রথম দিকনির্দেশনা এই বৈঠক থেকেই আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের মধ্যেও নতুন সরকারের প্রথম দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিশেষ কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
প্রশাসনিক পরিবর্তনের প্রভাব ও প্রত্যাশা
নবান্নের ভোলবদল এবং নতুন সরকারের কর্মদিবস শুরুর এই ঘটনা রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। রবিবার রাত থেকেই নবান্ন চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং সাজ সাজ রব পড়ে গেছে। দীর্ঘদিনের পুরনো প্রশাসনিক রীতিনীতি বদলে নতুন সরকার কী ধরনের সংস্কার আনে, এখন সেটাই দেখার। এই ক্ষমতার হস্তান্তর এবং প্রথম দিনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো রাজ্যের সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।