নতুন সরকারের বড় চমক এবং বিতর্কিত রিটার্নিং অফিসার সুরজিৎ রায়ের সিএমও-তে অন্তর্ভুক্তি

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন যে নামটিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছিল, সেই সুরজিৎ রায়কেই এবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়ে এল নতুন সরকার। নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত ভবানীপুর কেন্দ্রের এই রিটার্নিং অফিসারকে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে (CMO) নিয়োগ করা হয়েছে। ভোটের সময় থেকেই তাঁর ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছিল, যা এই নতুন নিয়োগের ফলে ফের নতুন মাত্রা পেয়েছে।
বিতর্ক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
নির্বাচন চলাকালীন তৃণমূল কংগ্রেস সুরজিৎ রায়ের বিরুদ্ধে বারবার পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছিল। তাঁকে নন্দীগ্রামের ‘শুভেন্দু অধিকারী-ঘনিষ্ঠ’ বিডিও হিসেবে দাবি করে সে সময় সরব হয়েছিল জোড়াফুল শিবির। তবে সেই সমস্ত অভিযোগ উপেক্ষা করেই কমিশন তাঁকে ভবানীপুরের মতো হাই-প্রোফাইল কেন্দ্রের দায়িত্ব দিয়েছিল। এবার রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর নতুন সরকার তাঁর ওপর আস্থা রাখায় প্রশাসনিক স্তরে বড় ধরনের রদবদলের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
প্রশাসনিক সংস্কার ও সিএমও-তে বড় রদবদল
রাজ্যের কর্মিবর্গ এবং প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর থেকে জারি করা সাম্প্রতিক নির্দেশিকা অনুযায়ী, সুরজিৎ রায় একা নন, আরও আট জন অভিজ্ঞ আমলাকে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে আনা হয়েছে। প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা ও গতি আনার লক্ষ্যেই এই বড় ধরনের রদবদল বলে মনে করা হচ্ছে। অভিজ্ঞ মহলের মতে, গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা এই আমলাদের নিয়োগের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর সচিবালয়কে আরও শক্তিশালী করতে চাইছেন। এই পরিবর্তনের ফলে আগামী দিনে রাজ্যের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে আমলাতান্ত্রিক স্তরে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।