শান্তিকুঞ্জে জনসমুদ্র এবং অনুগামীদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়ে কলকাতার পথে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বাসভবন ‘শান্তিকুঞ্জ’ আজ এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকল। সোমবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে শান্তিকুঞ্জের বাইরে অনুগামী ও সাধারণ মানুষের শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসলেন তিনি। নতুন সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণের পর নিজের জেলায় তাঁর এই প্রথম সফরকে কেন্দ্র করে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে অভূতপূর্ব উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
আবেগঘন মুহূর্ত ও শিশির অধিকারীর উপস্থিতি
কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার ঠিক আগে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বাসভবনের সামনে অপেক্ষারত অগণিত অনুগামীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রিয় নেতাকে সামনে পেয়ে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত জনতা। কেউ তাঁর হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন, আবার কেউ পরিয়ে দেন ফুলের মালা। এই আনন্দঘন মুহূর্তের এক বিশেষ দৃশ্য ছিল শান্তিকুঞ্জের বারান্দায় প্রবীণ রাজনীতিক শিশির অধিকারীর উপস্থিতি। নিজের ছেলেকে ঘিরে সাধারণ মানুষের এই অকৃত্রিম ভালোবাসা ও আবেগ তিনি বারান্দা থেকে প্রত্যক্ষ করেন, যা উপস্থিত সকলের নজর কেড়েছে।
প্রশাসনিক তৎপরতা ও আগামীর পথ
অনুগামীদের এই ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে শুভেন্দু অধিকারী দ্রুত কলকাতার নবান্নের উদ্দেশে রওনা দেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিজের গড় থেকে এই ধরনের বিপুল জনসমর্থন ও আশীর্বাদ নিয়ে প্রশাসনিক কাজ শুরু করা তাঁর জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক এক বার্তা। একদিকে পারিবারিক আশীর্বাদ এবং অন্যদিকে দলীয় কর্মীদের এই সক্রিয়তা—সব মিলিয়ে নতুন সরকারের প্রথম দিনের পথচলায় এক বাড়তি উৎসাহ যোগাবে বলে মনে করা হচ্ছে। আজ নবান্নে তাঁর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও প্রশাসনিক কর্মসূচী রয়েছে।