সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী নাকি বিমানবাহিনী, কাদের ট্রেনিং সবচেয়ে কঠিন?
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী (আর্মি), নৌবাহিনী (নেভি) এবং বিমানবাহিনী (এয়ার ফোর্স) নিজ নিজ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। স্থলভাগ, জলপথ এবং আকাশসীমার চ্যালেঞ্জ ভিন্ন হওয়ায় এই তিন বাহিনীর প্রশিক্ষণের ধরনেও মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। স্থলবাহিনী মূলত শারীরিক সহনশীলতা ও প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার ক্ষমতার ওপর গুরুত্ব দেয়, নৌবাহিনী প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও সমুদ্রের প্রতিকূলতায় ধৈর্যের পরীক্ষা নেয় এবং বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ স্নায়বিক চাপ নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
তিন বাহিনীর প্রশিক্ষণ পদ্ধতি অত্যন্ত কঠোর ও সুশৃঙ্খল। স্থলভাগের যুদ্ধের জন্য আর্মির জওয়ানদের কঠোর শারীরিক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। নৌবাহিনীর সদস্যদের দীর্ঘ সময় সমুদ্রের নির্জনতায় প্রযুক্তিনির্ভর জাহাজ ও সাবমেরিন পরিচালনার দক্ষতা অর্জন করতে হয়। অন্যদিকে, বিমানবাহিনীর পাইলটদের উচ্চ গতির আকাশযুদ্ধে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে নির্ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা অর্জন করতে হয়। সামরিক কৌশলবিদদের মতে, কোনো নির্দিষ্ট বাহিনীকে এককভাবে এগিয়ে রাখার অবকাশ নেই; বরং আধুনিক যুদ্ধনীতিতে তিন বাহিনীর আন্তঃবাহিনী সহযোগিতা বা সম্মিলিত অবস্থানই ভারতের প্রতিরক্ষার মূল ভিত্তি।