ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা ঘোষণা নিয়ে তুঙ্গে সংঘাত, স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কি আদালতে যাচ্ছে কালীঘাট?
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য রাজনীতিতে ‘নতুন তৃণমূল’ ও ‘মূল তৃণমূল’ দ্বন্দ্ব এবার আইনি লড়াইয়ের পথে। উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্পিকার রথীন্দ্র বসুর নিয়োগ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবুজ সংকেত পেলেই এই প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে আইনি পদক্ষেপের আগে বিধানসভার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতির অপেক্ষায় রয়েছে কালীঘাট।
গত বুধবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ‘নতুন তৃণমূল’ আত্মপ্রকাশের পর স্পিকার তাঁদের জন্য বিরোধী দলনেতার কার্যালয় বরাদ্দ করার নির্দেশ দেন। শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দাবি, এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বেআইনি এবং দল থেকে বহিষ্কৃত কোনো নেতা বিরোধী দলনেতা হতে পারেন না। দলের সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়োগকে নিয়মবহির্ভূত আখ্যা দিয়ে আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অন্যদিকে, স্পিকার রথীন্দ্র বসু দাবি করেছেন যে, নির্দিষ্ট আইনি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া মেনে বহিষ্কার সম্পন্ন না হওয়ায় ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থনপুষ্ট ‘নতুন তৃণমূল’ শিবিরকেই তিনি প্রকৃত তৃণমূল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন এবং নিজের সিদ্ধান্তে তিনি অনড়।