ভারতের হাতে ১৯০ পরমাণু অস্ত্র, বিপজ্জনক ভবিষ্যৎ?
স্টোকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপ্রি)-এর সাম্প্রতিক বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডারে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভারতের পরমাণু ওয়ারহেডের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯০টিতে, যা আগের বছরের তুলনায় বেশি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই বৃদ্ধি ভারতের পরমাণু প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
ভারতের এই সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মূল লক্ষ্য হলো স্থল, আকাশ এবং সমুদ্র—এই তিন মাধ্যম থেকে পরমাণু হামলা চালানোর সক্ষমতা বা ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’ অর্জন করা। এর মধ্যে সমুদ্রপথে ভারতের ‘আন্ডারসি ডিটারেন্স’ বা সমুদ্রগর্ভ থেকে আক্রমণের ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা যোগ করেছে, যার অংশ হিসেবে নতুন সাবমেরিন আইএনএস অরিধমন আগের চেয়ে দ্বিগুণ ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম। সিপ্রির প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভারত এখন শান্তি সময়ের মধ্যেও লঞ্চারের সঙ্গে ওয়ারহেড যুক্ত রাখার প্রক্রিয়ার দিকে এগোচ্ছে।
এদিকে পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডার ১৭০টিতে অপরিবর্তিত থাকলেও দেশটি আবাবিল ও বাবর-৩ ব্যবস্থার মতো নতুন প্রযুক্তির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। চিনের মোকাবিলায় দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং পাকিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বৈরিতার কারণে ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই তাদের সামরিক আধুনিকীকরণে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ বাড়িয়ে চলেছে। তবে বর্তমানে উভয় দেশই দীর্ঘমেয়াদী সংঘাত এড়ানোর নীতিতে অটল রয়েছে।