জ্বালানির চড়া দামে দিশেহারা বাজার, রাশ টানতে বড় পদক্ষেপ সরকারের!
ইরান ও হরমুজ প্রণালীর যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের অস্থিরতা সত্ত্বেও দেশের বাজারে জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখতে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলো প্রতিদিন প্রায় ৫০০ কোটি টাকার লোকসান বহন করছে। এরই মধ্যে বাজারে কালোবাজারি ও মজুতদারি রোধে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক খুচরো বাজারে ডিজেল বিক্রির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ‘মোটর স্পিরিট এবং হাই-স্পিড ডিজেল (খুচরো আউটলেটের মাধ্যমে সরবরাহের সাময়িক নিয়ন্ত্রণ) নির্দেশ, ২০২৬’-এর অধীনে আগামী ৯০ দিন এই নিয়ম কার্যকর থাকবে। নতুন বিধিনিষেধ অনুযায়ী, সাধারণ পাম্প থেকে কোনো গ্রাহক বা গাড়ি দৈনিক সর্বোচ্চ ২০০ লিটার পর্যন্ত ডিজেল নিতে পারবে এবং তা কোনোভাবেই খোলা বাজারে পুনরায় বিক্রি করা যাবে না। পাশাপাশি, শিল্প বা বাণিজ্যিক ক্রেতাদের জন্য সাধারণ পাম্প থেকে ডিজেল সংগ্রহ নিষিদ্ধ করে তাদের নিজস্ব ‘কনজিউমার পাম্প’ বা পাইকারি মাধ্যম ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই পদক্ষেপের ফলে জ্বালানির কৃত্রিম সংকট রোধ এবং সাধারণ গ্রাহকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করছে মন্ত্রক। দেশজুড়ে তেলের দাম বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কলকাতায় প্রতি লিটার পেট্রোল ও ডিজেল যথাক্রমে ১১৩.৪৭ টাকা ও ৯৯.৮২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও দিল্লিতে পেট্রোল ১০২.১২ টাকা ও ডিজেল ৯৫.২০ টাকা, মুম্বাইতে পেট্রোল ১১১.১৮ টাকা ও ডিজেল ৯৭.৮৩ টাকা এবং চেন্নাইতে পেট্রোল ১০৭.৮৭ টাকা ও ডিজেল ৯৯.৬৬ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে।