স্ত্রীকে টুকরো করে তন্দুরে পোড়ালেন কংগ্রেস নেতা! এমন নৃশংসতায় কাঁপছে দেশ
১৯৯৫ সালের ২ জুলাই দিল্লির গোল মার্কেটের একটি সরকারি ফ্ল্যাটে ভারতের অপরাধ ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে তৎকালীন যুব কংগ্রেস সভাপতি সুশীল শর্মা নিজের স্ত্রী নয়না সাহনীকে গুলি করে হত্যা করেন। পরকীয়ার সন্দেহে স্ত্রীকে হত্যার পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে সুশীল শর্মা নয়নার মরদেহ টুকরো করে দিল্লির কনট প্লেসের ‘বাগিয়া’ রেস্তোরাঁর তন্দুর চুলায় পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করেন।
রেস্তোরাঁর ম্যানেজার কেশব কুমারের সহায়তায় তন্দুর চুলার ভেতর মাখন ঢেলে আগুনের শিখা দ্রুত করার চেষ্টা করা হয়। তবে চুলার অস্বাভাবিক ধোঁয়া ও আগুনের লেলিহান শিখা দেখে এক সবজি বিক্রেতার চিৎকারে টহলরত পুলিশ কনস্টেবল আব্দুল নজীর গুঞ্জু ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এই বীভৎস ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আদালত সুশীল শর্মাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় এবং ২৩ বছর কারাবাসের পর ২০১৮ সালে তিনি মুক্তি পান।