আমেরিকার হুঙ্কার উপেক্ষা, বৈঠকে যোগ দিতে নারাজ ইরান!

সুইজারল্যান্ডে আয়োজিত আমেরিকা ও ইরানের বহুমুখী শান্তি বৈঠকের প্রথম দিনেই চরম কূটনৈতিক সংঘাত ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বৈঠক চলাকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় ইরানকে নতুন করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইরানের প্রতিনিধি দল মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে করমর্দন ও যৌথ ফটোসেশন বয়কট করে এবং সাময়িকভাবে আলোচনার টেবিল থেকে বেরিয়ে যায়। ইরানের প্রধান আলোচক মহম্মদ বাঘের গালিবাফ পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, যেকোনো পরিস্থিতির জবাব দিতে ইরানের সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

বাইরে তীব্র কূটনৈতিক উত্তেজনার পরিবেশ থাকলেও পর্দার আড়ালে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বিষয়ে আলোচনা এগিয়েছে। ইরানি সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, বৈঠকে দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে ইরানের তেল রপ্তানি পুনরায় চালুর খসড়া চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। পাশাপাশি কাতারের মধ্যস্থতায় আটকে থাকা প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পত্তি ফেরানোর বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট শর্ত দেওয়া হয়েছে যে, লেবাননে ইসরায়েলি অভিযান বন্ধ না হওয়া এবং আটকে থাকা অর্থ নিঃশর্তে ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত কোনো স্থায়ী শান্তি চুক্তি বা যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *