৮ বছর পর মিলল বিচার! কাকদ্বীপে সিপিএম দম্পতি খুনে গ্রেফতার ১০, নেপথ্যে শুভেন্দু?

কাকদ্বীপের বুধাখালিতে ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে সিপিএম সমর্থক দেবু দাস ও তাঁর স্ত্রী ঊষা দাসকে পুড়িয়ে মারার আট বছর পর অবশেষে ১০ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য অমিত মণ্ডলও রয়েছেন। নিহত দম্পতির ছেলে দীপঙ্কর দাসের অভিযোগ ছিল, তৃণমূলে যোগ দিতে অস্বীকার করায় তাঁর বাবা-মাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। গতকাল দীপঙ্কর দাস এবং সিপিএম বিধায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে অভিযোগ জানানোর পরই প্রশাসন তৎপর হয়ে ওঠে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্য পুলিশের ডিজিপি-র হস্তক্ষেপে রাতেই তল্লাশি চালিয়ে এফআইআর-ভুক্ত ওই ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে ২০২৩ সালে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আইপিএস দময়ন্তী সেন ও মুরলীধর শর্মার নেতৃত্বে ওই ঘটনার তদন্তে থ্রিডি ম্যাপিং ও ফরেন্সিক পরীক্ষা করা হলেও মূল অভিযুক্তরা অধরাই ছিল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিহতের ছেলে। এদিকে, এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে সিপিএম বিধায়ক মোস্তাফিজুর রহমান রাজ্যে আইনের শাসন বজায় রাখার আশা প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, দোষীরা শাস্তি পাক, তবে আক্রোশের বশে যেন কোনো নির্দোষ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *