স্মার্টফোনের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে শৈশব, সন্তান কি আজ বড় একা?
আধুনিক সমাজে কর্মব্যস্ত বাবা-মায়ের স্মার্টফোনে মগ্ন থাকার প্রবণতা, যা ‘ফাবিং’ বা ফোন এবং স্নাবিংয়ের সংমিশ্রণ হিসেবে পরিচিত, শিশুদের মানসিক বিকাশে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। সন্তানকে সময় না দিয়ে ভার্চুয়াল জগতে ডুবে থাকার এই অভ্যাস শিশুর মনে একাকীত্ব তৈরি করছে এবং পারিবারিক সম্পর্কের দূরত্ব বাড়াচ্ছে। বাবা-মায়ের এই অবহেলা থেকে শিশুরা নিজেকে গুরুত্বহীন মনে করতে শুরু করে, যার ফলে তাদের মধ্যে জেদ, রাগ এবং সামাজিক যোগাযোগে সীমাবদ্ধতার মতো আচরণগত সংকট দেখা দিচ্ছে।
এই পরিস্থিতি উত্তরণে বিশেষজ্ঞরা দৈনন্দিন রুটিনে পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন। এর মধ্যে প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট ফোন দূরে রেখে সন্তানকে নিরবচ্ছিন্ন সময় দেওয়া, ডাইনিং টেবিলকে ‘নো ফোন জোন’ ঘোষণা করা এবং শিশুদের সামনে বাবা-মাকে নিজের স্মার্টফোন ব্যবহারের ওপর নিয়ন্ত্রণ আনা অন্যতম। মূলত, সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের স্বার্থে প্রযুক্তির চেয়ে বাস্তব সম্পর্কের গভীরতা বাড়ানোই এখন সময়ের দাবি।