বারুইপুরে চাঞ্চল্যকর তথ্য, দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিতার ওপর নজর ছিল প্রভাসের!
বারুইপুর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় এনকাউন্টারে নিহত মূল অভিযুক্ত প্রভাসই ছিল এই নারকীয় অপরাধের মূল চক্রী। ঘটনার তদন্তে ধৃত অপর তিন অভিযুক্ত কবীর, দিবাকর ও আনন্দকে জেরার পর এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে পুলিশের হাতে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিকৃত মানসিকতার প্রভাস দীর্ঘদিন ধরেই ওই নাবালিকা ছাত্রীর ওপর নজর রাখছিল এবং অপরাধমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সুকৌশলে তার আস্থা অর্জন করে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল।
ধৃতদের বয়ান থেকে জানা গেছে, নাবালিকাকে অপহরণ, নির্যাতন এবং দেহ লোপাটের পুরো নিখুঁত ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করেছিল নেশাসক্ত প্রভাস। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে সে ‘রাজা’ নামের এক ব্যক্তির ভুয়া নাম ব্যবহার করেছিল। অভিযুক্তর স্ত্রী ও প্রতিবেশীরাও তার খারাপ চরিত্রের বিষয়টি পুলিশের কাছে নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনার পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে দ্রুতই বাকি তিন অভিযুক্তকে নিয়ে ঘটনাস্থলে ক্রাইম সিন পুনর্নির্মাণ করবে পুলিশ।