ধর্মতলার হিংসায় বিদেশি চক্রান্ত, বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী!
কলকাতার ধর্মতলায় বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে সহিংসতা এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে রাজ্য সরকার। রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ১৪ জনের কেউই প্রকৃত শিক্ষার্থী নন। তিনি অভিযোগ করেন, এরা জামাত এবং মৌলবাদী গোষ্ঠীর সদস্য, যারা শহরজুড়ে অশান্তি সৃষ্টির মাধ্যমে দেশকে দুর্বল করার চক্রান্ত করছে। এই ঘটনার পেছনে কোনো বিদেশি শক্তির হাত রয়েছে কি না, তা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্ত ৭০ জনকে শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি-সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিজ অ্যাক্ট, ২০২৬’ ধারায় মামলা দায়ের করে মোট সাতটি এফআইআর করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, রাজ্যে নতুন সরকারের গৃহীত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত—যেমন খারিজি মাদ্রাসার নিবন্ধন, ওবিসি প্রশংসাপত্র নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর, গবাদি পশু হত্যা রোধ ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপের জেরে স্বার্থান্বেষী মহল অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। মিছিলে জাতীয় পতাকার অবমাননা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবির বিকৃতিকে সুপরিকল্পিত চক্রান্ত হিসেবে অভিহিত করে তিনি জানান, আহত সাংবাদিকদের চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গত ২৪ জুলাই নিট পরীক্ষার অনিয়মের দাবিতে আয়োজিত মিছিলের এই সহিংসতার ঘটনায় পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে।