ছাত্রদের ওপর কেন পেলেট গান ও একে-ফর্টি সেভেন? আইন কী বলে!
NEET প্রশ্নফাঁস কাণ্ড ও শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে যন্তর মন্তর থেকে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের ‘চলো সংসদ’ আন্দোলন বর্তমানে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এই আন্দোলন দমনে দিল্লির যন্তর মন্তরে পুলিশি লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ও পেলেট গান ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া বিহারের সিওয়ানে প্রতিবাদ মিছিলে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের মতো ঘটনা সামনে এসেছে। মূলত আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ও সরকারি সম্পত্তি বা জনসাধারণের জীবনের ঝুঁকি তৈরি হলেই কেবল পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি পায়।
ভারতীয় আইন অনুযায়ী, হিংসাত্মক জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দিতে পারেন। ম্যাজিস্ট্রেটের অনুপস্থিতিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত গেজেটেড মর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তা এই নির্দেশ দিতে পারেন। এর আগে পরিস্থিতির ভয়াবহতা, পুলিশের সংখ্যা, অস্ত্রের ধরণ ও গুলির হিসাবসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র লগ এন্ট্রিতে নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক। অস্ত্র ব্যবহারের পর ব্যবহৃত ও অব্যবহৃত সমস্ত গোলাবারুদের সুনির্দিষ্ট হিসাব সংশ্লিষ্ট রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করে পুনরায় অস্ত্রাগারে জমা দেওয়া আইনি প্রক্রিয়ার অংশ।