ই-কেওয়াইসি নিয়ে চরম ভোগান্তি, গ্যাস এজেন্সির বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে চন্দ্রকোনা!
বার্তা ডেস্কঃ
সরকারের নির্দেশ মেনে এলপিজি গ্যাসের ই-কেওয়াইসি (e-KYC) জমা দিতে গিয়ে চরম হয়রানি ও আর্থিক শোষণের মুখে পড়ছেন গ্রাহকরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নথি জমা না দিলে ভর্তুকি বন্ধ ও অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে—এই উৎকণ্ঠা নিয়ে ভিড় জমছে মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার ইন্ডিয়ান গ্যাসের দুটি শাখায়। তবে অভিযোগ উঠেছে, কেওয়াইসি করানোর অজুহাতে গ্রাহকদের জোরপূর্বক নতুন পাইপ, রেগুলেটরসহ নানা সরঞ্জাম কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে। ‘উজ্জ্বলা’ যোজনার উপভোক্তাদের থেকে ১,২০০ টাকা এবং সাধারণ গ্রাহকদের থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত টাকা না দিলে কাজ না করে ঘুরিয়ে দেওয়ার অভিযোগে এজেন্সির সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা।
অন্যদিকে, গ্রাহকদের ওপর চাপ সৃষ্টির সমস্ত অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন গ্যাস অফিসের আধিকারিকরা। তাঁদের দাবি, নতুন পাইপ বা অন্যান্য সরঞ্জাম কেনা কোনওভাবেই বাধ্যতামূলক নয়। তবে প্রশাসনিক এই দাবির সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির বড়সড় অমিল দেখছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দাদের সাফ বক্তব্য, মুখে যা-ই বলা হোক না কেন, বাস্তবে সরঞ্জাম না কিনলে ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়াই সম্পূর্ণ করা হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে কেওয়াইসির নামে অহেতুক হয়রানি এবং অবৈধ অর্থ আদায় অবিলম্বে বন্ধ করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন তারা।