ভারতের মানচিত্র নিয়ে নেপালের দাবি, আসল নথি কোথায়? মোক্ষম জবাবে অস্বস্তিতে বলেন্দ্র সরকার!
বার্তা ডেস্কঃ
ভারতের সীমান্তবর্তী কালাজল, লিম্পিয়াধুরা ও লিপুলেখ এলাকাকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক অস্বস্তি তৈরি করছিল নেপাল। ২০২০ সালে প্রকাশিত বিতর্কিত রাজনৈতিক মানচিত্রের ভিত্তিতে সম্প্রতি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ লিপুলেখ ইস্যুতে চিন ও ব্রিটেনের সাথে আলোচনার বার্তা দিয়ে বিতর্ক আরও উসকে দেন। কিন্তু কাঠমাণ্ডুর এই আঞ্চলিক দাবির সপক্ষে ঐতিহাসিক প্রমাণ কোথায়—ভারতের এই প্রশ্নের মুখে পড়ে এখন চূড়ান্ত ব্যাকফুটে নেপাল সরকার। সংসদে দাঁড়িয়ে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী শিশির খናል স্পষ্ট স্বীকার করেছেন যে, সীমান্ত নির্ধারণকারী ঐতিহাসিক ১৮১৬ সালের সগৌলি চুক্তির আসল মূল নথিপত্রই নেপাল সরকারের হেফাজতে নেই।
মূলত ইস্ট ইন্ডিয়া কো ম্পা নি ও নেপাল রাজপরিবারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সগৌলি চুক্তি অনুযায়ী কালী নদীকে দুই দেশের সীমানা হিসেবে ধরা হয়েছিল। কাঠমাণ্ডুর দাবি, নদীর উৎস লিম্পিয়াধুরা হওয়ায় সংশ্লিষ্ট বিস্তীর্ণ অঞ্চল তাদের; অন্যদিকে দিল্লির অবস্থান পরিষ্কার—লিপুলেখের নিম্নাঞ্চল থেকে কালী নদীর সূচনা হওয়ায় ওই এলাকা ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। এমনিতেই নদীর মূল উৎস নিয়ে ভৌগোলিক জটিলতা ছিল, তার ওপর সগৌলি চুক্তির মূল কপি গায়েব হওয়ার কথা প্রকাশ্যে আসায় কাঠমাণ্ডুর দাবির আইনি ও ঐতিহাসিক ভিত্তি সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।