পাঁচ ঘণ্টার জেরা, থ্রেট মাস্টার অভীকের বিপদ কি বাড়ছে?
বার্তা ডেস্কঃ
আরজি কর কাণ্ডের জেরে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা চিকিৎসক অভীক দে-কে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনে টানা প্রায় পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল স্বাস্থ্য ভবনের তিন সদস্যের তদন্তকারী কমিটি। কড়া পুলিশি ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় তাঁকে হাসপাতালে হাজির করানো হয় এবং দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সন্ধ্যায় নিরাপত্তার ঘেরাটোপেই বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। তদন্তকারীরা মূলত বর্ধমান মেডিকেলে তাঁর কর্মজীবন, কোভিড-পর্বের পরিষেবা এবং সেই সূত্র ধরে প্রাপ্ত ‘সার্ভিস কোটা’ ব্যবহার করে স্নাতকোত্তরে ভর্তি সংক্রান্ত নথিপত্র ও যোগ্যতা খতিয়ে দেখেন। এর আগে স্বাস্থ ভবনে তলব করা হলেও তিনি উপস্থিত না হওয়ায় পরবর্তীতে পুলিশি নির্দেশে তাঁকে এই তদন্তের মুখোমুখি হতে হয়।
রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর স্বাস্থ্য দপ্তর অভীক দে-র বিরুদ্ধে নতুন করে বিভাগীয় ও অনুসন্ধানমূলক তদন্তের নির্দেশ দিলে এই পুরোনো বিতর্কটি পুনরায় সামনে আসে। ইতিপূর্বে সার্ভিস কোটায় তাঁর ভর্তির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও তা ধামাচাপা পড়ে গিয়েছিল, যা নিয়ে চিকিৎসকমহলে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ ছিল। পরবর্তীতে এসএসকেএম হাসপাতালের প্রথম বর্ষের স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণার্থী থাকাকালীন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁকে নিলম্বিত বা সাসপেন্ড করা হয় এবং বর্তমানেও তিনি সেই অবস্থায় রয়েছেন। মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের মতে, কোভিড কোটার অসংগতি নিয়ে তদন্ত শুরু হওয়ায় সত্য উদঘাটিত হবে, আর এই পুরো প্রক্রিয়ায় অভীকের কোভিড পরিষেবা ও ভর্তি প্রক্রিয়াকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।