বিয়ের সাত মাসেই নাবালিকা বধূর রহস্যমৃত্যু, গ্রেফতার স্বামী!
বার্তা ডেস্কঃ
পূর্ব বর্ধমান: প্রেমের টানে ঘর বেঁধেছিল ১৬ বছরের নাবালিকা প্রিয়া বাউড়ি। কিন্তু বিয়ের মাত্র সাত-আট মাসের মাথাতেই তার অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। মামাশ্বশুরের বাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের পর, খুনের অভিযোগে স্বামী শুভ বাউড়িকে গ্রেপ্তার করেছে গলসি থানার পুলিশ।
গলসির পোতনা গ্রামের বাসিন্দা প্রিয়ার সঙ্গে স্থানীয় জাগুলিপাড়ার শুভ বাউড়ির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় প্রথমে পরিবার মেনে না নিলেও, পরবর্তীতে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে বিয়ে মেনে নেন দুই পক্ষই। সম্প্রতি শুভ ও প্রিয়া খেতুড়া গ্রামে মামাশ্বশুরের বাড়িতে বেড়াতে যায়। প্রিয়ার মায়ের দাবি, মৃত্যুর আগের দিনও প্রিয়া ফোনে জানিয়েছিল সে ভালো আছে। কিন্তু পরদিন সকালেই প্রিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া স্টেটাসে লেখা ভেসে ওঠে— “আমি ভালো নেই, কষ্টে আছি।”
এর পর থেকেই প্রিয়ার ফোন অধরা ছিল। পরবর্তীতে জানা যায়, খেতুড়া থেকে দেহ জাগুলিপাড়ায় নিয়ে আসার পর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। অভিযোগ, বাপের বাড়ির কাউকে না জানিয়ে দেহ হাসপাতালে ফেলে রেখেই চম্পট দেয় শ্বশুরবাড়ির লোকজন। প্রিয়ার পরিবারের দাবি, তাকে খুন করা হয়েছে।
মেয়ের বাবা নির্মল বাউড়ির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামী শুভকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ময়নাতদন্ত শেষে দেহ স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মৃত্যুর আসল কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে গলসি থানার পুলিশ।