মালিকের অপেক্ষায় অভুক্ত পোষ্য, পাহাড়ে প্রাণ হারানো পরিবারের করুণ পরিণতি!

বার্তা ডেস্কঃ

মহারাষ্ট্রের সম্ভাজীনগরের খাবদা পাহাড়ে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন সদস্যের প্রাণহানি ঘটেছে। দামি ফোনের বায়নাকে কেন্দ্র করে ১৮ বছরের তরুণ কুণাল চন্দ্রগুড়ে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে পাহাড়ে যান। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে পিতা মুরলীধর চন্দ্রগুড়ে নিচে পড়ে যান। চোখের সামনে স্বামী ও ছেলের এমন মৃত্যু দেখে মা সঙ্গীতা চন্দ্রগুড়েও পাহাড় থেকে ঝাঁপ দেন। প্রায় তিন শ ফুট নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। মর্মান্তিক এই দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

এদিকে এসবের কিছুই জানে না চন্দ্রগুড়ে পরিবারের প্রিয় পোষা কুকুরটি। শূন্য বাড়িতে একা প্রভুর অন্তহীন অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছে সে। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার পর থেকেই খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে অবলা প্রাণীটি। প্রতিবেশীরা খাবার দেওয়ার চেষ্টা করলেও সে মুখ দিচ্ছে না। কখনও একটানা ডাকছে, কখনও বা গেটের কাছে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকছে। পরিবারের একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে ফেলা এই অবলা প্রাণীটির ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন গভীর দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *