এক এফডি-তেই সমাধান! জেনে নিন বয়স অনুযায়ী সঠিক বিনিয়োগের উপায়

বার্তা ডেস্কঃ

নিরাপদ ও সহজ বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে ফিক্সড ডিপোজিটের (FD) জনপ্রিয়তা চিরন্তন। তবে জীবনের প্রতিটি ধাপে এই এফডি-র ধরন ও প্রয়োজনীয়তা কিন্তু বদলে যায়। তরুণদের জরুরি তহবিল গড়া থেকে শুরু করে প্রবীণদের নিয়মিত উপার্জনের উৎস—সঠিক কৌশলে এফডি ব্যবহার করলে মিলবে সর্বোচ্চ সুবিধা।

প্রবীণ নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা ও নিয়মিত আয় অবসরপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে মূলধনের নিরাপত্তা ও নিয়মিত আয়ই প্রধান অগ্রাধিকার। বর্তমানে ব্যাঙ্কের সাধারণ সুদের হারের চেয়ে প্রবীণদের অতিরিক্ত সুদ দেওয়া হয় (যেমন এসবিআইয়ের বিশেষ স্কিম)। আরবিআই-এর সুদের হার অনুকূলে থাকলে দীর্ঘমেয়াদী এফডি বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

এছাড়া, পুরো টাকা একবারে জমা না রেখে ‘এফডি ল্যাডারিং’ (বিভিন্ন মেয়াদে আলাদা আলাদা এফডি করা) পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে নির্দিষ্ট বিরতিতে টাকা হাতে আসে এবং প্রয়োজনে পুরো মূলধন ভাঙতে হয় না। আয়কর আইনের ৮০টিটিবি (80TTB) ধারায় প্রবীণরা বছরে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত সুদের ওপর করছাড়ের সুবিধাও পান।

তরুণদের জন্য জরুরি সুরক্ষা ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সম্পত্তি তৈরিতে ইক্যুইটি বা মিউচুয়াল ফান্ড বেশি কার্যকর হলেও এফডি-র গুরুত্ব কম নয়। শেয়ার বাজারের পতনের সময়েও যেন জরুরি খরচ থমকে না যায়, সেজন্য তরুণদের অন্তত ৬ মাসের খরচের সমপরিমাণ অর্থ এফডি-তে ‘ইমার্জেন্সি ফান্ড’ হিসেবে রাখা উচিত।

পরিবারের লক্ষ্যভিত্তিক সঞ্চয় পরিবারের বিভিন্ন নির্দিষ্ট খরচের কথা মাথায় রেখে একটি বড় এফডি-র বদলে আলাদা মেয়াদযুক্ত ছোট ছোট এফডি করা শ্রেয়। যেমন— এপ্রিল মাসের স্কুলের ফি, জুলাইয়ের ইনসিওরেন্স প্রিমিয়াম বা ৩ বছর পরের ডাউন্‌পেমেন্ট।

মূল কথা: শুধু সুদের হার না দেখে, কোন উদ্দেশ্যে টাকা ব্যবহার হবে তা ঠিক করাই সঠিক এফডি নির্বাচনের আসল চাবিকাঠি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *