বিক্ষোভের আড়ালে ২৮০০ দাগী অপরাধী, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নড়েচড়ে বসল দিল্লি!
বার্তা ডেস্কঃ
যন্তর মন্তরের আন্দোলন ও ছাত্র বিক্ষোভকে ঢাল করে লুকিয়ে থাকা দাগী অপরাধীদের নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) মুখ্য মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, ফেসিয়াল রেকগনিশন প্রযুক্তি (FRT) ব্যবহার করে বিক্ষোভস্থল থেকে প্রায় ২,৮০০ জন দাগী অপরাধীকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে দিল্লিতে তাদের বিরুদ্ধে নতুন করে এফআইআর (FIR) দায়ের করে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিক্ষোভস্থলে এত বিশাল সংখ্যক অপরাধীর উপস্থিতি নিয়ে দিল্লি পুলিশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। সৌরভ দাস জানান, ফেসিয়াল রেকগনিশন প্রযুক্তির ডেটা অনুযায়ী পুলিশ আগেই এই আশঙ্কা জানিয়েছিল। চিহ্নিত ব্যক্তিরা সমাজে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। সুপ্রিম কোর্ট আলাদাভাবে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেওয়ায় আইনি প্রক্রিয়া এখন আরও জোরদার হবে।
অন্যদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ৯০ দিনের মধ্যে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে CJP যে দাবি তুলেছিল, তা সরকার সুপ্রিম কোর্টকে নিশ্চিত করেছে এবং আদালতও বিষয়টি নির্দেশে অন্তর্ভুক্ত করেছে। NEET সংক্রান্ত বিক্ষোভের পুরনো মামলাগুলো শীর্ষ আদালত সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে খারিজ করে দিলেও, দিল্লির পুলিশি ডেটাবেসে চিহ্নিত প্রায় ২,৮৭৩ জন অপরাধীকে কোনো ছাড় দেওয়া হয়নি। কেন্দ্র ও দিল্লি পুলিশকে এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
আইনি জটিলতার নিরসন এবং সরকারের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস মেলার পর CJP আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত আন্দোলন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছে।